QuotePoints

Bengali Sad Love Story | True Story of Sania and Saif

Bengali Sad Love Story | True Story of Sania and Saif


Welcome to QuotePoints, today we are going to post something different. Actually, we post pictures, wishes, quotes and celebration photos in this blog. But today we are going to post a Bengali sad love story.
Actually, the story is based on real life, it happened with one of my close friends. I am sure that you guys will love the story. If you like it, then please don’t forget to share with your friends.

Bengali Sad Love Story
Bengali Sad Love Story

সাইফ আর সানিয়ার অদ্ভুত প্রেমের গল্প | Bangla Sad Love Story of Sania and Saif

সময়টা ছিলো ২০১২ সাল,
সাইফ তখন ক্লাস টেনে পড়াশোনা করতো। সে অনেকদিন ধরেই একটা ফোন কিনে দেওয়ার জন্য তার বাবাকে পীড়াপীড়ি করছিলো। ওর বাবা ওকে কথা দিয়েছিলেন যে এস এস সি এক্সামের পরেই ফোন কিনে দেওয়া হবে।
কিন্তু সাইফের ধৈর্য্য কুলালো না, তাই সে টেস্ট এক্সামের আগেই ফোনের জন্য চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলো বাসায়, এবং ফাইনালি তাকে একটা ফোন কিনে দেওয়া হলো।
তখন সময় তার মাত্র হাতে গোনা দুই একটা ফ্রেন্ডের মোবাইল ছিলো, এর মাঝে তার মোবাইলের ক্যামেরা ভালো ছিলো, ইন্টারনেট ইউজ করা যেতো।
সাইফের ফেসবুক আই ডি আরো আগ থেকেই ছিলো, শিহাবের ফোন দিয়ে খুলেছিলো সে। নতুন ফোন হাতে পেয়েই ফেসবুক আইডিতে লগিন করলো।
ফোনের জন্য ধৈর্য্যে না কুলানোর এই মুল কারন হলো ফেসবুক, না না ফেসবুক নাহ, ফেসবুক ফ্রেন্ড ‘সানিয়া’।
ও হ্যা এবার সানিয়ার কথা একটু বলে নিই, সানিয়া হচ্ছে চট্টগ্রামের একটা মেয়ে। সাইফ ফেসবুকে তার ছবি দেখেছে, চ্যাট করেছে এবং একদিন ফোনে ও কথা বলেছে। এর বেশী সানিয়া সম্পর্কে সাইফ কিচ্ছু জানে না।
তো রাত দিন সানিয়ার সাথে চ্যাটিং এ আড্ডা দিয়ে সময়টা ভালোই যাচ্ছিলো সাইফের, কিন্তু বিপত্তি বাধালো টেস্ট এক্সাম।
হঠাৎ করে স্কুল থেকে টেস্ট এক্সামের রুটিন দিয়ে দিলো, কিন্তু তাতে কি? সাইফ আর সানিয়ার চ্যাটিং একটু ও কমলো না।
এবং শেষ পর্যন্ত টেস্ট এক্সাম শেষ হয়ে রেজাল্ট দিলো, সাইফ ৪ টা সাবজেক্টে ফেইল।
আর স্কুলের রুলস অনুযায়ী যে ২ বা এর অধিক বিষয়ে ফেল করবে তাকে মুল পরীক্ষার অংশ নিতে দেওয়া হবে না।
কিন্তু সাইফের অতীত রেকর্ড ছিলো ভালো, সাইফের বাবা স্কুলে এসে স্যারদের সাথে আলোচনা করে তাকে স্কুল হোস্টেলে অন্যান্য টেস্ট ফেইলারদের সাথে থাকার শর্তে এক্সামে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেয়া হলো।
কিন্তু সবচেয়ে বড় বিপত্তি হলো তখন, যখন পরিবার এবং শিক্ষকরা মিলে সাইফের ফোন ছিনিয়ে নিলো ৩ মাসের জন্য। মানে এস এস সি এক্সাম শেষ হওয়ার আগে পর্যন্ত ফোন আর হাতেই নেওয়া যাবে না।
সাইফ সানিয়াকে একটা মেসেজ করে এটা বলতে ও পারলো না যে সে হোস্টেলের বন্দীজীবনে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তিন মাসের জন্য।
তো যথারীতি এস এস সি এক্সাম দিলো সাইফ এবং ভালো রেজাল্ট ও করলো অনেক।
ততোদিনে আবার সানিয়ার সাথে যোগাযোগ হলো এবং দুজনে ফোনালাপ ও শুরু করে দিলো।
এর পরে তিন মাসের মাথায় সাইফ সানিয়াকে প্রপোজ করলো, তাদের মধ্যে ছবি আদান প্রদান ও হয়েছিলো ইতোমধ্যে।
সানিয়া দুই দিন ভেবে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি হয়, এবং সাইফের জীবনে শুরু হয় এক নতুন অধ্যায়।
সাইফ যে কলেজে ভর্তি হয় সেখানে ও হোস্টেল লাইফ, বাড়ির বাইরে থাকা শুরু করলো সে। দিনকাল ভালোই যাচ্ছিলো, পুরো দুই বছর হয়ে গেলো ওদের রিলেশনশীপের কিন্তু তখন ও ওরা মিট করতে পারে নি দুইজন দুজনের সাথে।
একবার ফাইনাল করা হলো তারা কুমিল্লায় দেখা করবে।
কথা মত, সাইফ আগের দিন কুমিল্লায় তার এক কাজিনের বাসায় চলে গেলো, পরদিন সকালে সানিয়া চলে আসলো কুমিল্লা।
ও হ্যা, আরো কিছু কথা, এর মধ্যে সানিয়া জানালো সে সাইফের চেয়ে তিন বছরের সিনিয়র, শুরুতে কিছুটা দ্বিধায় পরে গেলে ও সাইফ সানিয়াকে এতটাই ভালোবেসে ফেলছিলো যে বয়সের ব্যবধান তার কাছে কিচ্ছু মনে হয় নি।
তো ওরা দেখা করলো, দুজনই দুজনকে অসম্ভব পছন্দ করলো। সারাদিন ঘুরাঘুরি করার পরে, বিকেল ৪ টায় সময় সানিয়াকে বাসে তুলে দিচ্ছিলো সাইফ, সানিয়া চোখের জল আটকে রাখতে পারছিলো না।
খুব কাদতেছিলো, সাইফ অনেক কষ্টে নিজে সামলাচ্ছিলো।
সানিয়াকে বাসে তুলে দিয়ে যখন সাইফ অটোতে উঠলো, তখনই সানিয়া কল দিলো, চিৎকার করে কাদতেছিল সে।
সাইফ ও কাদলো, অটোতে পাশে বসা দুইজন মেয়ে অবাক হয়ে সাইফের দিকে তাকিয়ে রইলো অদ্ভুতভাবে।
সন্ধায় একা একা অনেকক্ষণ হাটাহাটি করে সাইফ ওর কাজিনের বাসায় চলে আসলো এবং পরদিন সকালের ট্রেনে আবার সিলেট ব্যাক করলো।

Read More



এর পর থেকে কুমিল্লা ওদের মিলনস্থল হয়ে গেল, কিছুদিন পর পরই ওরা কুমিল্লায় মিট করতে চলে যেতো।
একবার ঢাকা ও মিট করেছে ওরা।
এর মাঝে অতিবাহিত হয়ে গেলো মোট ৪ বছর।
ওদিকে সানিয়ার বিয়ের সময় পেরিয়ে যাচ্ছে, ওর বাবা মা ওকে খুব বেশী প্রেশার দিচ্ছেন বিয়ের জন্য।
আর সানিয়া প্রেশার দিচ্ছে সাইফকে, সাইফ এদিকে কলেজ পড়ুয়া এক সাধারন ফ্যামিলির, সাধারন ছেলে, তার পক্ষে কোন ভাবেই বিয়ে করা পসিবল ছিলো না।
কিন্তু সানিয়া বিয়ের জন্য ডেসপারেট হয়ে গেলো, এবং শেষ পর্যন্ত সাইফ লুকিয়ে বিয়ের জন্য রাজি হয়ে গেলো।
দুইজন ঢাকায় কাজী অফিসে বিয়ে করলো এবং ওইদিন দুপুরেই সাইফ সিলেটে ফিরে এলো।

এর ঠিক সাতদিন পরে, সানিয়া সাইফের বাবাকে ফোন দিয়ে সব কথা বলে ফেললো। সাইফ পরে গেলো বিশাল বিপাকে, সাইফের পরিবার সাইফকে পুরোপুরি বর্জন করলো এবং তাকে সব ধরনের টাকা পয়সা দেওয়া বন্ধ করে দিলো।
আর ওইদিকে সানিয়া ও সাইফকে এই অবস্থায় দিয়ে দিলো আকস্মিক ডিভোর্স।
বিয়ে করে একদিন ও সংসার করা হলো না তাদের।

সাইফ বিস্তারিত জানালো তার পরিবারকে, উনারা ওকে বাসায় নিয়ে আসলেন এবং এক মাস পরে মেন্টালি সিক হয়ে পড়লো সাইফ।
টানা চার মাস বিছানায় থাকার জন্য সে কিছুটা সুস্থ হলো, এর মধ্যে জানতে পারলো সানিয়া আবার বিয়ে করেছে এবং সানিয়ার হাজব্যান্ড ওকে কল দিয়ে কথা ও বললো এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করলো।
ওই সময় সাইফের জীবনে এনজেলের মত এক মেয়ের আগমন হলো, মাহজেবিন। ফেসবুকে পরিচয়, থেকে প্রণয়।

এবং সাইফ ভালো আছে এখন...
অনেক ভালো

Conclusion

Hey, I hope you’ve liked that Bengali Sad Love Story, please don’t forget to share with your friends. We will share similar more stories if we get a good response from your side.




Powered by Blogger.